Khansama, Dinajpur
অবজারভেন্ট রেসিডেন্সিয়াল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় অবস্থিত একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা সুশিক্ষা, নৈতিকতা এবং নেতৃত্ব গঠনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বিদ্যালয়ে অভিজ্ঞ ও উচ্চশিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব, চিন্তাশক্তি এবং জ্ঞানের পরিসর বৃদ্ধি করতে সদা উদ্যোগী। তাদের আন্তরিকতা, দক্ষতা এবং দিকনির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে যেমন সাফল্য অর্জন করছে, তেমনি সহশিক্ষা ও নৈতিক বিকাশেও এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসটি শান্ত, ছায়াঘেরা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর, যা শিক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি পরিবেশ তৈরি করেছে। শ্রেণিকক্ষগুলো সুসজ্জিত, আলো-বাতাসপূর্ণ এবং আধুনিক শিক্ষায় প্রযুক্তিগত সুবিধাসম্পন্ন। রয়েছে লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার, প্রার্থনাকক্ষ এবং খেলার মাঠসহ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা। শিক্ষার পাশাপাশি এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালনসহ নানা রকম সহশিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র পরীক্ষায় ভালো ফলাফলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানবিক গুণাবলি, সৎ চরিত্র, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়ে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিটি শিক্ষা কার্যক্রম। অবজারভেন্ট রেসিডেন্সিয়াল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ইতোমধ্যেই স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এটি শুধু খানসামা উপজেলার নয়, বরং গোটা দিনাজপুর জেলার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিস্তারিত
অপূর্ব ও নান্দনিক পরিবেশে দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষক মন্ডলীর তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড্ কারিকুলাম সমৃদ্ধ, মানসম্পন্ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি পূর্ণাঙ্গ, দায়িত্বশীল ও আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘অবজারভেন্ট রেসিডেন্সিয়াল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ' আত্মপ্রকাশ করেছে।
কোন জাতির সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো মান সম্মত শিক্ষা, আর এ শিক্ষা প্রদানের মহান দায়িত্বটি যথার্থভাবে পালন করে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা সহায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ, অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী, সচেতন ও স্মার্ট পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটিকে ইতোমধ্যেই একটি আধুনিক ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ভবিষ্যতেও এ প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে আমরা দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। একুশ শতকের অসম প্রতিযোগিতাপূর্ণ পৃথিবীতে বিজয়ী হওয়ার মত শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ-এই প্রতিষ্ঠানে সবই বিদ্যমান।
একজন শিশু জন্ম গ্রহণ করলেই মানুষ হয়ে যায় না। তার মেধা ও প্রতিভা বিকাশ ঘটিয়ে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে... বিস্তারিত
আত্রাই নদীর তীর ঘেষে নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত 'অবজারভেন্ট রেসিডেন্সিয়াল সাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ' ৷ শিক্ষা, সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম বিদ্যাপিঠ করার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্লে থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত প্রায় ১০০০ শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর মতো অবকাঠামো সহ প্রাতিষ্ঠানিক সকল প্রস্তুতি আমারা ইতোমধ্যে নিখুতভাবে সমাপ্ত করেছি, পাশাপাশি প্রথম পর্যায়ে ২০০ শিক্ষার্থীকে আবাসিক সুবিধায় রাখার জন্য সকল কার্যক্রম আমরা সম্পন্ন করেছি। ২০২৫ সালে নবম, ২০২৬ সালে দশম, ২০২৭ সালে একাদশ ও ২০২৮ সালে দ্বাদশ শ্রেণী চালু করার লক্ষ্যে যা যা করণীয় সকল পদক্ষেপ ইতোমধ্যে আমাদের পরিচালকমণ্ডলী নিয়ে নিয়েছেন।
এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য সকল পরিচালক ও উপদেষ্টাবৃন্দ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এই প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান (প্রধান শিক্ষক, খানসামা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) স্যারকে। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধিত হয়েছে।
এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন, সচেতন, দায়িত্বশীল সুনাগরিক ও সর্বোপরি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের সাথে টিকে থাকার জন্য যোগ্যতম করে গড়ে তোলা। শিক্ষার্থীরা যাতে সংস্কৃতিচর্চা করতে পারে তারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে বাৎসরিক বিজ্ঞানমেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং চিত্রাঙ্কন ও ফটোগ্রাফি... বিস্তারিত